গাজীপুরের সংরক্ষিত বন রক্ষায় হাইকোর্টের রুল

3_156436

গাজীপুরের সংরক্ষিত বন রক্ষায় বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপত কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দ সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গত সোমবার এ রুল জারি করেন।

রুলে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার কৌচাকুরি মৌজায় ৯৫ দশমিক ৩১ একর সংরক্ষিত বনভূমি স্কাউটসকে স্থায়ী ইজারা দেওয়ার উদ্যোগ এবং স্কাউটসকে আগে বরাদ্দ দেওয়া ৮ দশমিক ৬১ একর বনভূমি রক্ষায় সংশ্লিষ্টদের ব্যর্থতা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপত কাজী  মো. ইজারুল হক আকন্দ সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার এ রুল জারি করেন।
আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে বন ও পরিবেশমন্ত্রী, ভূমিমন্ত্রী, বাংলাদেশ স্কাউটের প্রধান জাতীয় কমিশনার, প্রধান বন সংরক্ষক, গাজীপুরের সহকারি কমিশনারকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
‘হুমকির মুখে বন বিভাগের ৯৫ একর বনভূমি’ শিরোনামে সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়,স্কাউটস বন বিভাগের কাছ থেকে ৫ শর্তে এর আগে ৮ দশমিক ৬১ একর বনভূমি ইজারা নিয়েছিলো। চুক্তির প্রধান শর্ত ছিল ১৯২৭ সালের বন আইনের ৪ ধারা অনুযায়ী উক্ত এলাকা বনভূমি হিসেবেই থাকবে।  সেখানে  কোনো স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না। কিন্তু স্কাউটস চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে সেখানে বনভূমি ধ্বংস করেছে এবং স্থায়ী স্থাপনা তৈরি করেছে। আপত্তি করেও বন বিভাগ তা ঠেকাতে পারেনি। এখন আগের শর্তেই নতুন করে ওই মৌজায় ৯৫ একর বনভূমি স্কাউট বরাদ্দ নিতে চাইছে।
এরপর ওই প্রতিবেদনটি যুক্ত করে জনস্বর্থে গাজীপুরের সংরক্ষিত বনভূমি রক্ষায় হাইকোর্টে চার আইনজীবী মজিবুর রহমান, আশরাফুদ্দিন খান, এএফএম আসাদুজ্জামান ও মোহাম্মদ মাহমুদ হাসান হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করেন। ওই রিটের শুনানি নিয়ে সোমবার আদালত রুল জারি করেন।
আদালতে রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী জুলহাস উদ্দিন আহমেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আমাতুল করিম।

Leave a Comment